মহাতীর্থ শ্রীশ্রী সাধুবাবা তারাচরণ সিদ্ধাশ্রম - মন্দির দর্শন

মহাতীর্থ শ্রীশ্রী সাধুবাবা তারাচরণ সিদ্ধাশ্রম

অবস্থানঃ

জেলাঃ চট্টগ্রাম  

উপজেলাঃ পটিয়া

গ্রামঃ ধলঘাট

ইতিহাস:

পটিয়া তথা দক্ষিন চট্টগ্রামের সুপ্রাচীন ঐতিহ্যবাহী সত্যসাধনপীঠ হল মানবপ্রেমী সাধক, সত্যমন্ত্র সাধক, পরমপুরুষ শ্রীমৎ সাধুবাবা তারাচরন পরমহংসদেব ও শ্রী শ্রী মা অরণ্যকুমারী দেবীর স্মৃতিবিজড়িত “শ্রী শ্রী সাধুবাবা তারাচরন সিদ্ধাশ্রম”। এ সত্যপীঠটি ধলঘাট গ্রামের ছায়াঘেরা, শান্তিপুর্ণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত একটি স্থানে অবস্থিত। আশ্রমের খুব কাছেই রয়েছে সাধকের আরাধ্য মাতৃদেবী শ্রী শ্রী বুড়াকালি মায়ের মন্দির। প্রতিদিন দেশের দূর দুরান্ত থেকে ভক্তগন আসেন সাধুবাবা ও সাধুমার এই শ্রীঅংগন দর্শন করতে। প্রতিদিন দুপুর ১২ টার সময় শ্রী শ্রী সাধুবাবা ও সাধুমার পুজা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও প্রতিদিন আশ্রমের ধর্মপ্রাণ পুরোহিত শ্রী হারাধন চক্রবর্তী মহাশয়ের সুযোগ্য পুত্র শ্রী আশুতোষ চক্রবর্তী দ্বারা শ্রী নারায়ণ শিলাগ্রাম পূজিত হয়। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টায় শ্রী শ্রী সাধুবাবা ও সাধুমায়ের মঙ্গলআরতী অনুষ্ঠিত হয়। দলে দলে ভক্তবৃন্দের ভীড় হয় সাধুবাবা ও সাধুমার শীতলভোগের পূণ্যময় প্রসাদ আস্বাদন করতে। আশ্রমের বিপরীত দিকে শ্রী শ্রী জ্বালাকুমারী মন্দির ও শ্রী শ্রী শিবঠাকুরের মন্দির অবস্থিত। প্রতি শুক্রবার গ্রামের বিভিন্ন বয়সের, বিভিন্ন শ্রেনী পেশার ভক্তপ্রান নর নারীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় শ্রী তারাচরন কীর্তন ও সমবেত প্রার্থনা। উক্ত আশ্রমে একটি পরিচালনা পরিষদ ও একটি উপদেষ্টা পরিষদ রয়েছে। যাদের প্রচেষ্টার ফলে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালিত হচ্ছে। বাংলা ১২৮৫ সনের ২৯শে ফাল্গুন চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার পশ্চিম গুজরা গ্রামের ঐতিহ্যবাহী দত্ত পরিবারে শ্রী শ্রীমৎ সাধুবাবা তারাচরণ পরমহংসদেবের জন্ম হয়। তার পিতার নাম শ্রী রসিকচন্দ্র দত্ত ও মাতার নাম শ্রীমতী অমলা দেবী। সাধুবাবা সবসময় তার হৃদয়ে সত্যমন্ত্র ধারন করতেন। “সত্যই ধর্ম” এটা ছিল তার বাণী। মুখের কথায় নয়, কাজেও করে দেখাতে হবে। “সত্যনিষ্ঠা ব্রহ্মচর্য আছয়ে যাহার, সাধনার প্রয়োজন নাহিক তাহার।” এইকথাই তিনি তার বাণীতে প্রকাশ করে গেছেন। ভক্তদেরকে তিনি সবসময় বলতেন, হে মনুষ্যগন, সত্য গ্রহন কর, অনন্ত সুখ শান্তির জীবন পাইবে। মানবপ্রেমী মহান এই সাধক ১৩৫৫ সনের ৭ই শ্রাবণ কলকাতায় নশ্বর দেহ ত্যাগ করে অনন্তধামে যাত্রা করেন।

জেলা শহর থেকে মন্দিরে পৌঁছানোর উপায়ঃ

চট্টগ্রাম শহর থেকে শাহ আমানত সেতু তথা নতুন ব্রীজ এসে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার’গামী অথবা পটিয়া’গামী বাসযোগে জন প্রতি ভাড়া ৩০ টাকায় পটিয়া থানা’র মোড় নেমে ধলঘাট ব্যাংক’গামী সিএনজি যোগে ১৩০-১৫০ টাকায় আর লোকাল সিএনজিতে গেলে জনপ্রতি ৩০ টাকায় ” শ্রীশ্রী তারাচরণ সিদ্ধাশ্রমে” পোঁছে যাবেন।

Chinishpur temple

শ্রী শ্রী চিনিশপুর কালী

শ্রী শ্রী চিনিশপুর কালী মন্দির অবস্থানঃ জেলাঃ নরসিংদী   উপজেলাঃ নরসিংদী সদর   গ্রামঃ চিনিশপুর ইতিহাসঃ বাংলাদেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি

Radhachad mandir

শ্রী শ্রী রাধাকালাচাঁদ বিগ্রহ

শ্রী শ্রী রাধাকালাচাঁদ বিগ্রহ মন্দির অবস্থানঃ জেলাঃ টাংগাইল উপজেলাঃ মির্জাপুর জামুর্কি ইউনিয়নের পাকুল্লা নামক গ্রামে অবস্থিত। ইতিহাসঃ ১১৯৫ বঙ্গাব্দে টাংগাইলের

sonarang jora moth

সোনারং জোড়া মঠ ও

সোনারং জোড়া মঠ ও শ্যামসিদ্ধির মঠ অবস্থানঃজেলাঃ মুন্সীগঞ্জউপজেলাঃ টংগীবাড়িকালজয়ী বাঙালি সত্যেন সেনের সোনারং গ্রামে অবস্থিত।ইতিহাসঃবাংলাদেশের অষ্টাদশ শতাব্দীর একটি প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন

বারদী লোকনাথ আশ্রম

বারদী লোকনাথ আশ্রম জেলাঃ  নারায়ণগঞ্জউপজেলাঃ  সোনারগাঁইউনিয়নঃ  বারদী অবস্থানঃ বারদী বাজারের পশ্চিম-উত্তর কোণে গুরু ভগবান গাঙ্গুলীর দেহত্যাগের আগে বাবা লোকনাথ ও

Spread this post
Translate »
error: Content is protected !!